default-image

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাল্যবিবাহ পড়ানোর চেষ্টার অভিযোগে বিবাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) রফিকুল ইসলামকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বর ও কনের বাবাকে জরিমানা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন জাহান লিজা ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ইউএনওর কার্যালয় সূত্র জানা গেছে, বকশীগঞ্জ পৌরসভার মেষেরচর গ্রামের রাজু আহাম্মেদের ছেলে রাসেল মিয়ার (১৯) সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয় রফিকুল ইসলামের বাড়িতে। খবর পেয়ে ইউএনও মুনমুন জাহান ও বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কাজিকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং বর ও কনের বাবাকে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে দেবেন না বলে বাবার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও মুনমুন জাহান জানান, উপজেলাকে শতভাগ বাল্যবিবাহ মুক্ত করার লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আর কোনো শিশুকে বাল্যবিবাহের শিকার হতে দেওয়া হবে না। সেই জন্য সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যাঁর যাঁর অবস্থান থেকে রুখে দাঁড়াতে হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0