বিজ্ঞাপন

আকাশ মেঘলা, মাঝেমধ্যে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে। বইছে ঝোড়ো হাওয়া। এর বাইরে ঝড়ের তেমন কোনো প্রভাব নেই খুলনার সবচেয়ে উপকূলীয় উপজেলা কয়রায়। মানুষ আসলে পর্যবেক্ষণ করছে কী হয় তা দেখার। অবস্থা বেগতিক হলেই পদক্ষেপ নেবেন তাঁরা।
সেখান বাঁধের ওপর ছিলেন কামাল হোসেন। বাঁধের অবস্থা দেখতে এসেছিলেন তিনি। কামাল বলেন, কয়রার মানুষ ঝড় নিয়ে খুব বেশি ভয় পায় না, ভয় পায় বাঁধ নিয়ে। যেভাবে জোয়ারের পানি বাড়ছে তাতে যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে যেতে পারে।
অবশ্য রাতের জোয়ারে কয়রার বিভিন্ন ইউনিয়নের অন্তত ১০টি স্থানে বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। তবে বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। স্থানীয় লোকজন সতর্ক থাকায় উপচে পড়া স্থানে তাৎক্ষণিকভাবে মাটি ও বালির বস্তা ফেলে তা প্রতিরোধ করেছে।

পাউবোর কর্মকর্তারা বলছেন, রাতে জোয়ারে পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত পাঁচ ফুট বেশি ছিল। পূর্ণিমার কারণে আজ জোয়ারে পানির উচ্চতা আরও কিছুটা বাড়বে।
গতকাল মঙ্গলবারও সকালে জোয়ারে পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়েছিল কয়েক ফুট। এতেই পানিতে বাঁধ কানায় কানায় ভরে গিয়েছিল।

কয়রা উপজেলাটি পাউবোর সাতক্ষীরা বিভাগ-২–এর আওতায়। ওই বিভাগের পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশিদুর রহমান ও খুলনা বিভাগীয় শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন মদিনাবাদ লঞ্চঘাটের বাঁধের ওপর।
জানতে চাইলে রাশিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, স্বস্তির কথা হলো নদীতে অস্বাভাবিক পানি বাড়লেও কোথাও বাঁধ ভাঙেনি। তবে কিছু জায়গায় বাঁধ উপচে পানি ভেতরে ঢুকছে। ২০ হাজারের মতো বস্তা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কোথাও কোনো সমস্যা হলেই তাৎক্ষণিকভাবে বস্তা পাঠিয়ে স্থানীয় মানুষের সহায়তায় তা ফেলে পানি আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন