বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরের বছর ২৩ জুলাই বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে তাঁরা আবেদনকারী ১৬টি পরিবারকে বিদ্যুৎ–সংযোগ প্রদানের সুপারিশ করেন। এরপর রনি মিয়া নামের এক ঠিকাদার গ্রামে খুঁটি পোঁতার কাজ শুরু করেন।

তিন থেকে চার মাসের মধ্যে গ্রামের আটটি পরিবার বিদ্যুৎ–সংযোগ পেয়ে যায়। একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি প্রকল্পের কাজে বাধা দেন। এতে বিদ্যুৎ দেওয়ার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তবে পুলিশ পাহারায় পুনরায় কাজ শুরু হবে বলে আশ্বাস দেন ঠিকাদার রনি মিয়া। এ জন্য তিনি সংযোগ না পাওয়া আট পরিবারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত বিদ্যুৎ–সুবিধা পায়নি পরিবারগুলো।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ঠিকাদার রনি মিয়া টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ওই গ্রামের স্থানীয় কয়েকজন নিজেদের জমির ওপর দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইন টানতে দেবেন না বলে জানিয়ে দেন। এ কারণে বাধার মুখে তিনি প্রকল্পের পুরো কাজ করতে পারেননি। যতটুকু কাজ তিনি সম্পন্ন করেছেন, তা গত বছরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঈশ্বরগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সোহেল রানা বলেন, বিদ্যুৎ–সংযোগ না পাওয়ার বিষয়ে তাঁর কাছে কেউ অভিযোগ জানায়নি। তিনি ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে বিষয়টির তদন্ত করবেন। কেউ বাধা দিয়ে থাকলে গ্রামের লোকজনকে বুঝিয়ে সমস্যার সমাধান করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন