বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আশরাফুল আলম জানান, পরদিন সকালে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়ে ওই নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। দুই দিন ধরে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন। তাঁকে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে।

আশরাফুল আরও জানান, ওই নারীকে উদ্ধারের পর তাঁরা তাঁর ছবি একটি ফেসবুক গ্রুপে প্রকাশ করেছেন। আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত ছবিটি ৫০ হাজার লোক দেখেছেন। ছবিটি ২০ হাজার বার শেয়ার হয়েছে। তবু কেউ ওই নারীর পরিচয় জানাতে পারেননি।

স্থানীয় গৃহবধূ জাহেরা বেগম বলেন, ‘আমি তাঁকে গোসল করায়ে দিয়েছি। এ সময় তাঁর শরীরে দুটি সিজার করার চিহ্ন দেখতে পেয়েছি। তাতে অনুমান করছি, মহিলাটির সন্তান রয়েছে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। তিনি এখনো কোনো কথা বলছেন না। আর উনার সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে না যে উনি মানসিক রোগী। তবে উনি কোনো বিষয়ে মারাত্মকভাবে আঘাত পেয়েছেন। আশা করছি, দু-এক দিনের মধ্যেই তিনি সেরে উঠবেন।’

বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ওই নারী সম্পর্কে আমি অবগত আছি। নিয়মিত তাঁর খোঁজখবর রাখছি। তাঁর কাছে একটি মুঠোফোন নম্বর পাওয়া গেছে। কিন্তু নম্বরটি সব সময় বন্ধ রয়েছে। আমরা ফোন নম্বর ধরে তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছি।’

উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রিয়াংকা দেবী পাল বলেন, ‘মেয়েটিকে আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখে এসেছি। তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি। স্বজনদের সন্ধান পাওয়া গেলে তাঁকে তাঁদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন