default-image

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সদর উপজেলার আংশিক) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ শুক্রবার সিরাজগঞ্জ শহরে সংবাদ সম্মেলন করে দলটির প্রার্থী মো. সেলিম রেজা এ দাবি করেন।

বেলা ১১টার দিকে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান তালুকদারের বাসভবন চত্বরে ওই সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে দলটির প্রার্থী সেলিম রেজা লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান।

বিজ্ঞাপন
গত ১৩ জুন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাংসদ মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। ১২ নভেম্বর এ আসনের উপনির্বাচনে ভোট নেওয়া হবে।

লিখিত বক্তব্যে বিএনপির প্রার্থী বলেন, ‘গত ২৩ অক্টোবর নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষ পাওয়ার পর আমি কাজীপুরে বাড়িতে অবস্থান নিই। তখন থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত আওয়ামী লীগের লোকজন আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। বিষয়টি আমার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে জানান। ২৭ অক্টোবর থেকে আমি প্রচারণায় বের হই। কিন্তু সব জায়গাতেই আমি আওয়ামী লীগের লোকজনের দ্বারা বাধাগ্রস্ত হই। এসব বিষয় জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জানিয়েও লাভ হয়নি।’

সেলিম রেজা বলেন, ‘একজন প্রার্থী হিসেবে আমাকে নির্বাচনী মাঠে প্রচারণা ও গণসংযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনী এলাকায় যেসব পোস্টার লাগানো হয়েছিল, তা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। আমার যেসব নেতা-কর্মী এসব পোস্টার লাগিয়েছিলেন, তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমকিতে আমার কর্মীরা এখন এলাকাছাড়া। পুরো নির্বাচনী এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ বিরাজ করছে।’

আমাকে নির্বাচনী মাঠে প্রচারণা ও গণসংযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনী এলাকায় যেসব পোস্টার লাগানো হয়েছিল, তা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।
সেলিম রেজা, বিএনপির প্রার্থী

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সবশেষে গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার পূর্বনির্ধারিত ছোনগাছা মাদ্রাসার মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দিতে গেলে পথে আওয়ামী লীগের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করেন। এ হামলার মুখে ওই সমাবেশ করা যায়নি। পরে ছোনগাছা সড়কের মণ্ডল ব্রিজের ওপর প্রতিবাদ সভা করা হয়।

তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকবেন জানিয়ে বিএনপির প্রার্থী সেলিম রেজা সুন্দর পরিবেশ তৈরি করে ভোটের প্রচারণা ও সভা-সমাবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান প্রমুখ।

গত ১৩ জুন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাংসদ মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। ১২ নভেম্বর এ আসনের উপনির্বাচনে ভোট নেওয়া হবে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য তানভীর শাকিল।

মন্তব্য পড়ুন 0