default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল আলম খন্দকার ওরফে মুন্নাকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাতে তাঁকে উপজেলা সদরের নতুন হাবেলিপাড়ার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এম এম নাজমুল আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া আসামি নাজমুল আলম খন্দকারকে জেলা কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

২৬ মার্চ সরাইল উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ওই দিন রাতে পুলিশ বাদী হয়ে ২৮৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলার আসামি নাজমুল আলম খন্দকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে পুলিশ একই মামলায় উপজেলা বিএনপির ৯ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা সবাই এখন জেলা কারাগারে আছেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই মামলায় ৮৫ জনের নাম উল্লেখ আছে। এর মধ্যে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনিছুল ইসলাম ঠাকুর, সদস্যসচিব নুরুজ্জামান লস্কর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জহির উদ্দিন, মশিউর রহমান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক নূর আলম, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল জব্বার, সরাইল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোস্তাক আলম খন্দকারের নাম আছে।

বিজ্ঞাপন

২৬ ফেব্রুয়ারি সরাইল উপজেলা বিএনপির ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে জেলা বিএনপি। কমিটি গঠনের পর থেকে ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে বিএনপির একটি অংশ উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করে। এরপর ২৬ মার্চ ভোরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনিসুল ইসলাম ঠাকুর, সদস্যসচিব নুরুজ্জামান লস্কর ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের পক্ষের লোকজন শহীদ মিনার এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

ওই সংঘর্ষে থানার ওসি এ এম এম নাজমুল আহমেদ, উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন খন্দকারসহ ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়া উভয় পক্ষের আহত হন বিএনপির ১০ নেতা-কর্মী।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন