বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে দেখা গেছে, রেজিস্টারি মাঠে সিলেট মুক্ত দিবস উপলক্ষে সমাবেশমঞ্চ প্রস্তুত ছিল। মঞ্চের পাশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য মঞ্চ ছিল। সমাবেশের মঞ্চে বিএনপির স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দিচ্ছিলেন। কিছু সময় পরপর ছাত্রদল, যুবদলের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দিচ্ছিলেন।

সমাবেশস্থলের দর্শকসারি থেকে কিছু সময় পরপর বিএনপির বিভিন্ন নেতার নামে স্লোগান দিচ্ছিলেন ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। এ সময় মঞ্চ থেকে ব্যক্তির নামে স্লোগান না দিতে অনুরোধ করছিলেন সমাবেশের সভাপতি সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। একপর্যায়ে দর্শকসারির পেছন এবং সামনের অংশের নেতা-কর্মীদের মধ্যে চেয়ার–ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। তখনো বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবেশস্থলে যোগ দেননি। একপর্যায়ে দর্শকসারিতে থাকা ছাত্রদলের একটি পক্ষ অপর পক্ষকে ধাওয়া দিয়ে সমাবেশস্থল থেকে বিতাড়িত করে।

এ সময় মঞ্চ থেকে আরিফুল হক চৌধুরী ও খন্দকার আবদুল মুক্তাদির নেতা–কর্মীদের শান্ত থাকতে বলেন। তাঁরা সংঘর্ষের মূলে ‘সরকারি এজেন্টরা জড়িত’ বলে অভিযোগ করেন। তাঁরা বলেন, সমাবেশস্থলে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। সংগঠনের কেউ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে বহিষ্কার করা হবে। বেলা দুইটা ৫০ মিনিটের দিকে সংঘর্ষ থেমে যায়। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত হন প্রধান অতিথি মির্জা ফখরুল ইসলাম। পরে বেলা তিনটায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়।

default-image

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন