নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘বিএনপির অপরাজনীতিকে আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। তৃণমূলের সাধারণ মানুষের সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক গড়ে তুলে তৃণমূল আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন প্রজন্মের তরুণদের আওয়ামী লীগের সদস্য করতে হবে। নতুন প্রজন্ম, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আগামীর বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে আজকের যুবসমাজ। নারী নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। মনে রাখতে হবে, সবার উন্নয়ন না হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, ‘যাঁরা বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কার মতো দেউলিয়া হওয়ার আগাম ঘোষণা দিয়ে মাতম করছেন। তাঁরা মাতমই করতে পারবেন। দেশের জনগণ ও চিকিৎসকেরা তাঁদের হিমাইতপুরে যাওয়ার অনুরোধ করবেন। তাঁরা না গেলে আপনাদের পাগল হিসেবে ঘোষণা দিতে আমরা বাধ্য হব।’

সভায় ব্যাংকক থেকে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সদর আসনের সাংসদ তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘ভোলার আওয়ামী লীগ খুবই শক্তিশালী। ভোলা আওয়ামী লীগে কোনো দলাদলি নেই। গ্রুপিং নেই। কেউ কেউ গ্রুপিং করার চেষ্টা করলেও সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকায় পারছে না। আমরা ভোলার প্রতিটি ইউনিয়নে সরাসরি ডেলিগেটদের ভোটে কমিটি করেছি। সরাসরি ভোটে উপজেলা কমিটি করেছি; যদিও ভোটের প্রয়োজন হয়নি। ভবিষ্যতে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে। সেই সম্মেলনে আওয়ামী লীগের অনেক বড় বড় নেতা উপস্থিত থাকবেন। তাঁদের কাছে একটাই অনুরোধ, ভোলার সম্মেলন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে করতে হবে। দরকার হলে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হবে।’

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী আফজাল হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মি আহমেদ, নির্বাহী সদস্য মো. গোলাম কবির রাব্বানী, ভোলা ৪ (মনপুরা-চরফ্যাশন) আসনের সাংসদ আবদুল্লাহ আল ইসলাম, ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনের সাংসদ আলী আজম প্রমুখ। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মমিন সভাটি সঞ্চালনা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন