বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বক্তারা আরও বলেন, রাজধানীর নিউমার্কেটে সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা অস্ত্র হাতে মানুষ কুপিয়েছেন—এর ভিডিও আছে, তথ্যপ্রমাণ আছে, দেশের মানুষ এসব দেখেছে। এত কিছুর পরও নিজেদের অন্যায় আড়াল করতে সরকার বিএনপি নেতা মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনার সঙ্গে মকবুল হোসেনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই দাবি করে তাঁরা বলেন, হেলমেটধারী প্রকৃত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করে বিএনপি নেতা মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ২৪ জন নেতার নামোল্লেখ করে প্রায় দেড় হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এটা সরকারের পুরোনো চরিত্র। দমন-পীড়ন, মিথ্যা মামলা, হামলা ও জেলজুলুম করে তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। কিন্তু মানুষ সব জেনে গেছে। বিএনপির নেতা–কর্মীরা দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের এই অভিলাষ নস্যাৎ করে দেবেন।

অবিলম্বে মকবুল হোসেনের মুক্তি, প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান বক্তারা।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব জাহিদুর কবিরের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হায়দার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, মহানগর সদস্য আ ন ম সাইফুল আহসান, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ খান, মহানগর জাসাসের সভাপতি মীর আদনান তুহিন, মহিলা দলের নেত্রী পাপিয়া আজাদ, ফারহানা তিথি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, মহানগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।

১৮ ও ১৯ এপ্রিল নিউমার্কেটের দোকানমালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষ হয়। এতে দুজনের প্রাণহানি ও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর আক্রমণ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ভাঙচুর ও জখম করার অভিযোগে নিউমার্কেট থানায় একটি মামলা করে পুলিশ।

ওই মামলায় প্রধান আসামি করা হয় মকবুল হোসেনকে। এরপর ২২ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। মকবুল হোসেন নিউমার্কেট থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন