বিজ্ঞাপন

গত মঙ্গলবার রাতে রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনালে একদল শ্রমজীবীকে দেখা যায়। তাঁরা নিজেদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক
ভাষায় কথা বলছিলেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাজে যোগ দিতে ঢাকায় যাচ্ছেন। পদ্মা নদী হয়ে নৌকায় এসে গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জে নামেন তাঁরা।

গতকাল বেলা ১১টার দিকে শিরোইল বাস টার্মিনাল থেকে ঢাকাগামী একটি বাসের আট যাত্রীর সবাই ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের। এ সময় টার্মিনালের অন্যান্য বাস কাউন্টারেও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা যাত্রীদের উপস্থিতি দেখা যায়।

■ দেশে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ■ নাচোল, গোমস্তাপুর হয়েও অনেকে রাজশাহী আসছেন ■ বিকল্প পথে যাতায়াত বন্ধে পুলিশকে নির্দেশনা

টার্মিনালের পাশে ফুটপাতে দাঁড়ানো একজন যাত্রীর ঠিকানা জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বলেন, তাঁর বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে। কিন্তু তাঁর কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রে ঠিকানা লেখা ছিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের নরেন্দ্রপুর এলাকা। গতকাল টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী কয়েকটি বাসে খোঁজ নিয়েও চাঁপাইনবাবগঞ্জের যাত্রীর উপস্থিতি দেখা যায়।

রাজশাহীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা মানুষের উপস্থিতি কমাতে কী করণীয়, সে বিষয়ে গতকাল দুপুরে বৈঠক করে জেলা প্রশাসন। সেখানে উপস্থিত থাকা রাজশাহী সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, মানুষ যাতে বিকল্প রাস্তা দিয়ে রাজশাহীতে আসতে না পারেন, সে বিষয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সাংসদ বলেন, নদীপথ ছাড়াও নাচোল, গোমস্তাপুর হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষের যাতায়াতের তথ্য জেনেছেন তাঁরা।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান সাবেরা গুলনাহার জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে করোনা সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। গত মঙ্গলবার নমুনা পরীক্ষায় প্রায় ৬২ শতাংশ ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। রাজশাহীতে এ সংক্রমণের হার ২৮ শতাংশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন