বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত আইয়ুব আলীর স্ত্রী মাহফুজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে আমরা দুজনে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাস্টার্স শেষে বিয়ে করে সংসার শুরু করেছিলাম। স্বচ্ছ ও স্বপ্ন নামে আমাদের দুই সন্তান আছে। তাদের লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ করতে চেয়েছিলাম। আমার স্বামীকে এভাবে খুন করা হলো, এখন আমি কীভাবে দুই সন্তানকে মানুষ করব, সংসার চালব? স্বামী হত্যায় জড়িতদের আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম রসুল বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত আইয়ুব আলী বড় ভাই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে নিহত আইয়ুব আলীর মোটরসাইকেল, পাশের একটি ভুট্টাখেত থেকে টাকার খালি ব্যাগ ও রক্ত মাখা ধারালো রাম দা উদ্ধার করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আইয়ুব আলী হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন