বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম বলেন, ‘বাড়িটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। ভেতরে একটি বিছানায় দুই শিশুসন্তান এবং পাশে ঝুলন্ত অবস্থায় তাদের মায়ের মরদেহ আছে। সিআইডির ক্রাইমসিন টিম আসার অপেক্ষায় আছি। এরপর মৃত্যুরহস্য উদ্‌ঘাটন করা হবে।’

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শহীদুল হকের বাড়ির একটি কক্ষের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত পাওয়া যায় তাঁর স্ত্রী জিসান আকতারকে (২৫)। বিছানায় পড়ে আছে জিসানের দুই মেয়ে সাইফা শহিদ জাবিন (৫) ও সাইফা শহিদ জেরিন (২)। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন তাঁরা।

সন্ধ্যায় যখন পুলিশ বাড়িটি ঘেরাও করে, তখনো গৃহকর্তা শহীদুল হক মহেশখালী থেকে বাড়ি ফেরেননি।

স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নূর মোহাম্মদ বলেন, গৃহকর্তা শহীদুল হক ও তাঁর ভাই জিয়াউল হক লবণের ব্যবসা করেন। আজ সকালে লবণ নিয়ে শহীদুল হক মহেশখালীতে যান। সন্ধ্যায় যখন পুলিশ বাড়িটি ঘেরাও করে, তখনো শহীদুল হক মহেশখালী থেকে বাড়ি ফেরেননি।

ঘটনাস্থল থেকে ওসি আবদুল হালিম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। রুমের খাটে দুই শিশুর মরদেহ পড়ে আছে, আর মায়ের দেহটি ঝুলছিল ফ্যানের সঙ্গে। কী কারণে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু এখনো জানা যায়নি।

ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, দ্বিতল বাড়িতে জিয়াউল হক নিচে ও শহীদুল হক ওপরে থাকেন। শহীদুলের শোবার ঘরেই মা-মেয়ের মরদেহগুলো রয়েছে। এখন সিআইডির অপেক্ষায় আছেন নিহত গৃহবধূর পরিবার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন