বিজিবি মহাপরিচালক পেলেন গাছের চারা, বিএসএফকে দিলেন মিষ্টি

বিএসএফ কর্মকর্তার হাতে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন বিজিবি মহাপরিচালক। আজ বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া চেকপোস্টের শূন্য রেখায়
ছবি: প্রথম আলো

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া চেকপোস্টের শূন্য রেখায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক সাকিল আহমেদ। আজ বুধবার দুপুরে এ সাক্ষাতের সময় বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবি মহাপরিচালককে গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়। বিজিবি মহাপরিচালকও বিএসএফ সদস্যদের মিষ্টি উপহার দেন।

বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বিজিবির আইসিপি ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাকিল আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে সীমান্ত হত্যা বন্ধের বিষয়ে কথা বলেন। সাকিল আহমেদ বলেন, বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিএসএফের দ্বারা সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা বন্ধের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ব্যাপারে বিজিবি-বিএসএফের সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাবের কমতি নেই। উভয় পক্ষই সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে চায়।

আখাউড়ায় ইমিগ্রেশন পুলিশের বহুতল ভবন নির্মাণে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দুই দফা বাঁধা দেয়। এ প্রসঙ্গে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ বলেছেন, আন্তর্জাতিক কিছু নিয়ম আছে। এ নিয়ম মেনেই ভবন নির্মাণের কাজটি করা হবে। এ ব্যাপারে উচ্চপর্যায়ে পত্রালাপ চলছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভবন নির্মাণসংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করা হবে।

সীমান্তের কাছে ৩৫ ফুটের চেয়ে বেশি উচ্চতার ভবন করা যাবে না মর্মে আপত্তি জানিয়ে ২০১৭ সালে প্রথম দফায় বিজিবির মাধ্যমে আপত্তি জানায় বিএসএফ। সর্বশেষ ২০২০ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় দফায় আপত্তি জানানো হয়। এরপর থেকে ইমিগ্রেশন ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ আছে।

বিজিবি মহাপরিচালক সড়ক পথে বেলা সোয়া ১টার দিকে আখাউড়া চেকপোস্টে এসে পৌঁছান। এ সময় তিনি আইসিপি ক্যাম্প, ইমিগ্রেশন পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজিবির সেক্টর, রিজিওন ও ৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তারা।