বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি পাখির দোকানে বিক্রয়নিষিদ্ধ দেশি পাখি বিক্রির বিষয়টি সিলেট বন বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহিত করেন আবদুল করিম চৌধুরী। এরপর বিষয়টি সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরীকে অবহিত করা হয়। তিনি বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে সিটি করপোরেশনের দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অভিযান চালানোর নির্দেশনা দেন।

পরে বিকেল চারটার দিকে সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মতিউর রহমান খান ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায় বন বিভাগের কর্মকর্তা, সদস্য এবং পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযান চালান। অভিযানে লাভ অ্যান্ড হবি ওয়ার্ল্ড ও রঙ্গন অ্যাকুরিয়াম অ্যান্ড বার্ডস হাউস নামের দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে নয়টি কালিম, সাতটি ঘুঘু ও দুটি শালিক পাখি উদ্ধার করা হয়। পরে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে দুই প্রতিষ্ঠানকে যথাক্রমে ১৩ ও ১২ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বাপা নেতা আবদুল করিম চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, সিলেট নগরীর অভ্যন্তরে ব্যস্ততম সড়কের পাশে একধরনের প্রকাশ্যেই পাখিগুলো বেচাকেনা করা হচ্ছিল। মূলত ক্রেতা সেজেই দুপুরের দিকে দোকানে ঢুঁ মেরেছিলেন তিনি। পরে পাখিগুলো দেখতে পেয়ে বন বিভাগ ও সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। তিনি আরও জানান, দুপুরের দিকে একটি খাঁচায় ছয়টি শালিক পাখি দেখে গেলেও বিকেলের দিকে অভিযানে দুটি শালিক পাওয়া গেছে। বাকি চারটি তাঁরা বিক্রি করে ফেলেছিলেন।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান খান জানান, শীত মৌসুমে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে। এ সময় পাখিশিকারিরাও তৎপর হয়ে ওঠেন। এ ছাড়া দেশি পাখিও শিকার করা হয়ে থাকে। এসব বেআইনি কর্মকাণ্ড রুখতে তাঁরা তৎপরতা চালাচ্ছেন। ওই দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্ধার করা পাখিগুলো বন বিভাগের কর্মীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আবার এমন কাজ করলে ওই প্রতিষ্ঠান দুটির কঠোর শাস্তির পাশাপাশি লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন