বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০২০ সালের মার্চে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ঘোষণা করে। ওই সময় জমিদাতার স্বজনেরা বিদ্যালয়ের মাঠে কলাগাছ রোপণ করেন। খবর পেয়ে পরদিন শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে গেলে তাঁদের নানা রকম হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় মামলা করেন। কিন্তু বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে কলাগাছ সরানো হয়নি। পাঠদানের টিনের ঘরটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মাঠটি হাতছাড়া হতে বসেছে।

প্রধান শিক্ষক রোকেয়া খাতুন বলেন, গত ২৯ মে এক সালিসে সিদ্ধান্ত হয়, পিয়ারজানের নাতিরা নতুন করে বিদ্যালয়কে ৩১ শতাংশ জমি সাফকবলা দলিল করে দেবেন। জমি লিখে দেওয়ার বিনিময়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের তিন লাখ টাকা দিয়েছে।

এ বিষয়ে পিয়ারজান বিবির নাতি মো. সুরুজ আলী ও মো. আবুল ইসলাম বলেন, আগের দলিল বাতিল করা না হলে নতুন করে জমি লিখে দেবেন না। তবে তাঁরা তিন লাখ টাকা পেয়েছেন।

নান্দাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ইউপিএও) মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক মুঠোফোনে বলেন, একটি মীমাংসিত বিষয়কে জটিল করে তুলেছেন জমিদাতার স্বজনেরা। তাঁরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন