বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিল আরিফুল। বাড়ি যেতে খেতের জমি পেরোতে হয়। জমির আলের পাশে একটি বিদ্যুতের খুঁটি, সেই খুঁটি থেকে বাড়ির দূরত্ব ৩০-৪০ গজ। বাড়ি ফেরার পথে পড়ে থাকা ওই বিদ্যুতের খুঁটির ছিঁড়ে থাকা তার আরিফুলের শরীরে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চিৎকার দিয়ে ওঠে শিশুটি। চিৎকার শুনে দাদা ফখর উদ্দিন নাতিকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

নিহত আরিফুল (১০) নিজ চাউরা উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নিহত অপরজন তাঁর দাদা মাওলানা ফখর উদ্দিন (৬০) ।

এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বিদ্যুৎ কার্যালয়ে ফোন দিয়ে লাইনের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার পর দাদা-নাতিকে উদ্ধার করেন। তবে তার আগেই দুজনেরই মৃত্যু হয়।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, বিদ্যুতের তারটি বাতাসে কিংবা কোনো কারণে খুঁটি থেকে ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে ছিল। আরিফুল বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছিঁড়ে থাকা তার লেগে বিদ্যুতায়িত হয়। এ সময় নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে দাদা ফখর উদ্দিনও বিদ্যুতায়িত হন। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন