বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে কর্শাকড়িয়াল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রভাষক শহীদুল ইসলাম ভূঞা বলেন, হারুনের বাড়ির পাশে বিদ্যুতের একটি ছেঁড়া তার মাটিতে পড়ে ছিল। সেখান দিয়ে হারুনের ভাতিজা আবু সাঈদ সাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় প্রথমে সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। তাকে বাঁচাতে বাবলু মিয়া এগিয়ে এলে সে–ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। দূর থেকে এ ঘটনা দেখে ছেলে ও ভাতিজাকে বাঁচাতে দৌড়ে আসেন হারুন অর রশিদ। দুজনকে রক্ষার চেষ্টাকালে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তিনজনকে উদ্ধার করে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, তিনি যত দূর জেনেছেন, এটা এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়িতে জিআই তার দিয়ে নেওয়া একটি অবৈধ লাইন। জিআই তারসহ সেই লাইন ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়া মাত্র ওই এলাকার বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ঘটনাস্থলে তাঁদের কর্মীদের পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন