বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হামলার বর্ণনা দিয়ে পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মমিন জানান, আজ দুপুরের দিকে পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়নের পুকুরপাড় এলাকায় বিদ্রোহী প্রার্থী (মোটরসাইকেল) আল আমিন সরকারের নির্বাচনী ক্যাম্পে বসে ভোট প্রার্থনার জন্য বিভিন্ন এলাকায় কর্মী পাঠানো হচ্ছিল। এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রাশেদুল হাসানের নেতৃত্বে ৩০-৪০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নৌকার সমর্থকেরা অতর্কিত ক্যাম্পে হামলা চালান। এতে নারী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ আটজন আহত হয়েছেন।

বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আল আমিন সরকার বলেন, ‘আমার বিজয় নিশ্চিত জেনে নৌকার প্রার্থী ও সমর্থকেরা আমার কর্মী–সমর্থকদের মারধর ও হুমকি–ধমকি দিয়ে আসছে। তারা ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। আমি হামলার বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি।’

অভিযোগ অস্বীকার করে পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রাশেদুল হাসান বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিদ্রোহী প্রার্থী আল আমিন নাটক সাজিয়ে এমন অভিযোগ করছেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল ইসলাম বলেন, হামলার অভিযোগটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির প্রথম আলোকে বলেন, হামলা, ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত হামলার বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন