বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বহিষ্কৃত নেতারা হলেন কেন্দুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, দপ্তর সম্পাদক মো. শেখ ফকরুল হুদা, যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মো. ফজলুল হক, সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, কেন্দুয়া ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফকরুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক মো. মমিনুর রহমান খান, ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন, লক্ষ্মীরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. মনিরুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, সদস্য মো. আবদুল হাকিম, লক্ষ্মীরচর ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম, উপদেষ্টা মো. শমশের আলী ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মো. আবদুল বারী।

দলীয় সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপে জামালপুর সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচজন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার পথে। বাকি ১০টির মধ্যে ৯টিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। তাঁদের পক্ষে অনেক নেতা–কর্মী কাজ করছেন। এতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে ১৬ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হলো।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ শফিউদ-দৌলা চিশতী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, দল মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ ১৬ নেতার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ওই ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন