বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আলাউদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় তাঁর সমর্থকদের নিয়ে নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে একটি মিছিল করেন। মিছিল শেষে ডাঙ্গাপাড়া বাজারে নৌকার নির্বাচনী কার্যালয়ে সমর্থকদের সঙ্গে আলাপ করছিলেন তিনি। এ সময় আকস্মিকভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রবিউল ইসলাম মোল্লা তাঁর লোকজন নিয়ে হামলা চালান। হামলা চালিয়ে তাঁরা নির্বাচনী কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিলের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিও ভাঙচুর করেছেন। এ সময় হামলায় নৌকার বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন।

নৌকার প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন মাহমুদের অভিযোগ, বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. রবিউল ইসলাম মোল্লার নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রবিউল ইসলাম মোল্লার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি সাড়া দেননি।

ওই ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুস সালাম সন্ধ্যা সাতটার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি এ বিষয়ে এখনো ওয়াকিবহাল নন।

জানতে চাইলে মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন, ‘ডাঙ্গাপাড়া বাজারে রাস্তার দুই পাশে দুই প্রার্থী মুখোমুখি দুটি নির্বাচনী কার্যালয় স্থাপন করেছেন। আজ বিকেলে সেখানে দুই পক্ষের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ইটপাটকলে ছোড়াছুড়ি হয় বলেও শুনেছি। খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করেছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।’

তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর পলাশবাড়িয়াসহ মাগুরার মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলার ১৫ ইউপির ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন