বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আল মোমিন শাহ ওরফে গাবরু ভেটুপাড়া গ্রামে উঠান বৈঠক করছিলেন। খবর পেয়ে নৌকার সমর্থকেরা ১৫-২০টি মোটরসাইকেল নিয়ে লাঠিসোঁটাসহ ভেটুপাড়া গ্রামে আসেন। সেখানে উঠান বৈঠকের স্থানসহ কয়েকটি বাড়িতে তাঁরা ইটপাটকেল মারেন। এতে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক ও আশপাশের লোকজন উত্তেজিত হয়ে নৌকার সমর্থকদের ওপর চড়াও হয়ে মারধর করেন। এ সময় তাড়া খেয়ে চলে যান নৌকার সমর্থকেরা। পরে ফেলে যাওয়া মোটরসাইকেলে উত্তেজিত লোকজন ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে মোহনপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বাকশিমইল ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান (নৌকা) ও বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আল মোমিন শাহ (আনারস) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২৮ নভেম্বর ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে।

বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আল মোমিন শাহ প্রথম আলোকে বলেন, তিনি ভেটুপাড়া গ্রামে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এর অংশ হিসেবে ২০-৩০ জনকে নিয়ে একটি ছোট সভা হচ্ছিল। এ সময় পাশেই হট্টগোল হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, নৌকার সমর্থকেরা তাঁদের ওপর হামলা চালাতে এসেছিলেন। তাঁর জানার আগেই গ্রামের লোকজন হামলাকারীদের প্রতিহত করেন। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করেন উত্তেজিত লোকজন। এতে তাঁর কোনো হাত নেই।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুল মান্নানকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, দ্বিতীয়বারের মতো এই দুই প্রার্থী মারামারিতে জড়ালেন। গত রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। মূলত নৌকা-সমর্থিত কর্মীরা সেখানে যান। পরে এই ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন