বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গুড়িপাড়া গ্রামের নাসির ফকিরের স্ত্রী শিল্পী বেগম বলেন, জাহিদুল ইসলামের সমর্থক হওয়ায় তাঁদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা এক লাখ টাকা ও দেড় ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে।

এদিকে বাইশরশি গ্রামের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়েছে। ভাঙচুরের সময় বাড়ির নারী ও শিশুদের মারধর করা হয়েছে। আমাকে মেরে ফেলবে—এমন ভয়ে আমি গ্রাম থেকে পালিয়েছি।’

জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, পাঁচটি ভোটকেন্দ্র দখল করে ভোট কেটে নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসীদের দিয়ে তাঁর বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর সমর্থকদের এখন এলাকাছাড়া করা হচ্ছে। বাড়িঘরে ভাঙচুর করে লুটপাট করা হয়েছে। পুরো ইউনিয়নের মানুষ আতঙ্কিত। এমন পরিস্থিতিতে তিনি পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে দাবি করেন।

default-image

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জামাল হোসাইন বলেন, নির্বাচনের দিন তাঁর সমর্থকদের ১০টি বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। এতে সাতজন আহত হয়ে এখনো চিকিৎসাধীন। এ কারণে তাঁর কিছু কর্মী–সমর্থক উত্তেজিত হয়ে দু-এক জায়গায় হামলা করেছেন। খবর পেয়ে তাঁদের থামানো হয়েছে। ওই এলাকায় পুলিশও পাঠানো হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন জানান, তুলাসারে বাড়িঘরে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন