বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তাঁরা হলেন আটপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্বরমুশিয়া ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও শুনই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ছানোয়ার উদ্দিন, শুনই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন খান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বানিয়াজান ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী মো. নিজাম ইয়ার খান, তেলিগাতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. সনজুর রহমান, দুওজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কায়সার ইমরান, ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান টিপন, সদস্য মো. শাহীন তালুকদার, সুখারি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. কফিল উদ্দিন তালুকদার।

বারহাট্রা উপজেলার বাউসি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ তারেক হাবিব, বাউসি ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাহতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মিজানুর রহমান, বারহাট্রা সদর ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মনোরঞ্জন সরকার, আসমা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতা মো. ছায়েদুর রহমান ও মোহাম্মদ আবুল কাশেম, চিরাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, সিংধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক সন্ধ্যা রানী রায়, রায়পুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতিকুর রহমান।

মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, দলের সিদ্ধান্ত না মেনে বহিষ্কার হওয়া এসব নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। তাঁদের এর আগে নির্বাচনে অংশ না নিতে একাধিকবার অনুরোধ করা হয়েছিল। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁদের সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার জেলা আওয়ামী লীগের জরুরি সভা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আশরাফ আলী খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁদের সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ বরাবরে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় নেত্রকোনার ৩টি উপজেলার ২৫টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর একটি ইউনিয়ন মদনপুরে আওয়ামী লীগের সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মোস্তফা ই কাদের গত ২৪ অক্টোবর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাই ওই ইউনিয়নে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

বহিষ্কার হওয়া প্রার্থীদের একজন রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমি মুজিব আদর্শে বিশ্বাসী এবং দলের একনিষ্ঠ কর্মী। জনগণকে নিয়েই দল। গতবার দলীয় মনোনয় চেয়ে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। এবারও জনগণের ইচ্ছায় প্রার্থী হয়েছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন