বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় ১২ ডিসেম্বর রফিকুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তাতে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জবাব দেননি। ফলে গঠনতন্ত্রের ২২ (ক) ধারা অনুযায়ী এবং যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খানের নির্দেশক্রমে সংগঠন থেকে রফিকুল ইসলামকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে মো. রফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে কয়েক দফায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এ ব্যাপারে খুদে বার্তা দিলেও তিনি সাড়া দেননি।

২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে চতুলসহ বোয়ালমারী উপজেলার ১০টি এবং পাশের আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিনটি ইউপির অনুষ্ঠিত হবে। চতুল ইউপিতে রফিকুল ইসলামসহ (চশমা) মোট ছয়জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খন্দকার মো. আবুল বসার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন