বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বুধবার লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সাজেদা বেগমের স্বামী মাহবুবুজ্জামান কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তিনি পরপর দুবার কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে তুষভান্ডার ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন।

বহিষ্কৃত সাজেদা বেগম সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনের সাংসদ নুরুজ্জামান আহমেদের ছোট ভাই মাহবুবুজ্জামান আহমেদের স্ত্রী।

বহিষ্কারের চিঠিতে বলা হয়েছে, সাজেদা বেগম কালীগঞ্জের তুষভান্ডার ইউপির নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান নুর ইসলাম আহমেদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। এ অবস্থায় সাজেদা বেগমকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ৪৭ ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে কালীগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো। সেই সঙ্গে সাজেদা বেগমের সাংগঠনিক প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিলের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত আরও দুটি অব্যাহতিপত্র ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে। ওই দুটি চিঠিতে কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান ও একই কমিটির দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে তাঁদের দুজনের সাংগঠনিক প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিলের কথা জানানো হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর তুষভান্ডার ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুর ইসলাম আহমেদ, বিদ্রোহী প্রার্থী সাজেদা বেগমসহ চেয়ারম্যান পদে মোট ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাজেদা বেগম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোটরসাইকেল প্রতীকে নির্বাচন করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন