বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে আজ সকালে দেখা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস পাটুরিয়া প্রান্তে আসার পর ফেরির টিকিটের জন্য অপেক্ষায় আছে। এক থেকে দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর এসব যাত্রীবাহী বাস ফেরিতে উঠছে। এ ছাড়া ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকা থেকে লোকাল বাসে করে ঈদে ঘরমুখো অনেক যাত্রী পাটুরিয়া ঘাটে আসছেন। তাঁরা কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে লঞ্চঘাটে এসে লঞ্চে পদ্মা পাড়ি দিয়ে দৌলতদিয়া প্রান্তে যাচ্ছেন। লঞ্চেও অনেক যাত্রী নদী পার হচ্ছেন।

এ ছাড়া ঢাকাগামী যাত্রীদেরও পাটুরিয়ায় আসতে দেখা গেছে। তাঁরা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে জরুরি কাজে ঢাকায় যাচ্ছেন। সব মিলিয়ে আজ সকাল থেকে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় উভয় দিকের যাত্রী যাতায়াত করতে দেখা যায়।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীগামী যাত্রী জাহিদুল হক বলেন, ‘সময় যত যাবে, ভিড় তত বাড়বে। তাই এক দিন আগেই গ্রামে ফিরছি।’

লকডাউন শিথিল হওয়ায় শপিংমল, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খুলেছে। অনেককে ঢাকায় কর্মস্থলেও ফিরতে দেখা যায়। মাগুরা সদরের সোহরাব হোসেন ঢাকার নিউমার্কেটে জামাকাপড়ের ব্যবসা করেন। সকাল ১০টার দিকে পাটুরিয়ার তিন নম্বর ঘাট এলাকায় কথা হলে তিনি বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। তাই লকডাউনের মধ্যেই গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। লকডাউন শিথিল হয়েছে দোকানপাট খুলেছে। আবার কর্মস্থলে ফিরে যাচ্ছি।’

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে পদ্মার প্রবল স্রোত মোকাবিলা করে বহরের ১৫ ফেরির সব কটিই চলাচল করছে। পারাপার নির্বিঘ্ন করতে ফেরি বাড়ানো হতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন