বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লুত্ফুর রেজা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। কিন্তু ন্যাপের প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার সকালে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে সন্ধ্যায় বলেছিলেন, তিনি নির্বাচন করবেন। দল তাঁকে নির্বাচনে থাকার জন্য বলেছে। এরই মধ্যে আজ সকালে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৪ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ প্রার্থী হন তিনজন। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্ত, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লুত্ফুর রেজা ও ন্যাপের প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টির মো. লুত্ফুর রেজা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। আজ শনিবার সরে গেলেন ন্যাপের প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম। এ অবস্থায় প্রাণ গোপাল দত্ত একক প্রার্থী। তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। আগামী ৭ অক্টোবর উপনির্বাচনের ভোট হওয়ার কথা।

মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি পারিবারিক কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। আমার পরিবার আগে। দল আমাকে নির্বাচনে থাকতে বলেছে। কিন্তু সব দিক বিবেচনা করে আমি পারিবারিক কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম।’

আজ বেলা ১১টার দিকে এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্ত প্রথম আলোকে বলেন, ‘ন্যাপের প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম আমার ছাত্র। আমি এসএসসি পাস করার পর কিছুদিন মহিচাইল স্কুলে ক্লাস নিয়েছিলাম। তখন মনিরুল আমার ছাত্র ছিল। তাই ও (মনিরুল) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় পার্টির মো. লুত্ফুর রেজা আমাকে আগেই বলেছিলেন, আমি নির্বাচন করলে তিনি নির্বাচন করবেন না। তিনি অন্য কেউ আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হলে নির্বাচন করতেন। তাই তিনিও সরে গেছেন। কাউকে চাপ দিয়ে কিংবা কোনো কিছুর বিনিময়ে নির্বাচন থেকে সরানো হয়নি।’

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার বলেন, ১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এরই মধ্যে দুজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখন আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্ত আছেন। তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। বিধিমালা অনুসরণ করে তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন