default-image

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী ও কালাইয়া ইউপির নৌকার প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। তবে এ ইউপি নির্বাচনে বাউফল উপজেলায় জাতীয় পার্টি ও বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। আগামী ১১ এপ্রিল ভোট গ্রহণের দিন ধার্য আছে।

কালিশুরী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন মো. নেছার উদ্দিন সিকদার ওরফে জামাল, স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন মো. সেলিম মৃধা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের মো. আবদুল জলিল। স্বতন্ত্র ও হাতপাখা প্রতীকের দুজনেই তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে নেছার উদ্দিন একক প্রার্থী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল হক বলেন, ‘চেয়ারম্যান পদে আজকে (বুধবার) স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সেলিম মৃধা ও গত রোববার হাতপাখা প্রতীকের আবদুল জলিল তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখন একক প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক আছেন।’

কালাইয়া ইউপি নির্বাচনে দুজন প্রার্থী ছিলেন। একজন হলেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফয়সাল আহম্মেদ ওরফে মনির হোসেন মোল্লা। অপরজন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের আলতাফ হোসেন। গত মঙ্গলবার আলতাফ হোসেন প্রতিদ্বন্ধী আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসে তাঁর (আলতাফ) মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফয়সাল আহম্মেদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলেছেন। এ নিয়ে তিনি পরপর চারবার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা বলেন, ‘চেয়ারম্যান পদে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় কাল বৃহস্পতিবার নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হবে।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দলীয় সভাপতি হিসেবে আমি নির্বাচন কার্যালয়ে লিখিতভাবে জানিয়েছি কেন্দ্রীয়ভাবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের কোনো নির্দেশনা নাই। কিন্তু সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা তাঁদের মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন এবং হুমকি দিয়ে আসছেন। এতে দুজন প্রার্থী বাধ্য হয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার বৈধ না।’

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন