বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজন জানান, আবু বকর ছিদ্দিক ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ‘সমর্থনে’ একক প্রার্থী হিসেবে বিনা ভোটে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তাঁকে মাঠে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন করেছে তাঁরই ছোট ভাই। এই ওয়ার্ডে এবার আরও চারজন সদস্য প্রার্থী হয়েছেন। তাঁরা হলেন আবদুল মোতালেব (ফুটবল), আবদুর রহমান (আপেল), হাবিবুর রহমান ওরফে কালাচাঁন (বৈদ্যুতিক পাখা) ও নুর আলম (টিউবওয়েল)। ভোটের মাঠের প্রচারণায় সবাই নেমেছেন। ফলে পোস্টারে ছেয়ে গেছে এলাকা। মাইকেও চলছে জমজমাট প্রচারণা।

এদিকে স্থানীয় ভোটার ও স্বজনেরা পড়েছেন বেকায়দায়। তাঁরা প্রকাশ্যে দুই ভাইয়ের কারও পক্ষেই মাঠে নামতে পারছেন না। তাঁদের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ স্বজন বলেন, শেষ মুহূর্তে যে ভাইয়ের পাল্লা ভারী বলে তাঁরা মনে করবেন, তাঁর পক্ষেই জোরালো ভূমিকা রেখে জেতানোর চেষ্টা করবেন।

বর্তমান ইউপি সদস্য আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, তিনি গত পাঁচ বছর এলাকার মানুষের জন্য কাজ করেছেন। জনগণ এবার তাঁকেই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

ছোট ভাই মনির হোসেন বলেন, তিনি স্থানীয় ভোটার ও স্বজনদের অনুরোধেই প্রার্থী হয়েছেন। জনগণ তাঁকেই ভোট দিয়ে জেতাবেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট হলে এবং ভোটাররা নিজের ভোট নিজে দিতে পারলে কেউ তাঁর জয় ঠেকাতে পারবে না।

২৮ নভেম্বর মির্জানগর ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারিত রয়েছে। ওই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ১১৪।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন