বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আজ সকালে সাফারি পার্কে গিয়ে দেখা যায়, লাফিং কুকাবুরা পাখিগুলোকে একটি বিশেষায়িত ঘরে রাখা হয়েছে। এগুলো দেখতে অনেকটা মাছরাঙার মতো। তবে লাফিং কুকাবুরা আকারে মাছরাঙা থেকে অন্তত চার গুণ বড়। গায়ের রং সাদা-কালোর মিশ্রণ। পাখিগুলোকে খাবার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে শিং মাছ।

বন্য প্রাণী পরিদর্শক নিগার সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকার সিনান বার্ড ফার্মিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান পাখিগুলো অবৈধভাবে আমদানি করেছে। মূলত ককাটেল ও ম্যাকাও পাখি আমদানির জন্য প্রতিষ্ঠানটি বন বিভাগ থেকে অনুমতি নেয়। পরে সেই অনুমতি নিয়ে নেদারল্যান্ড থেকে ককাটেল ও ম্যাকাও পাখির সঙ্গে সাতটি লাফিং কুকাবুরা পাখি আমদানি করে। পরে সেগুলো কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে ধরা পড়ে। ইতিমধ্যে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ওই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে।

default-image

এর আগে বন্য প্রাণী ও পাখি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আজমেরি ট্রেডিং ও গোল্ডেন কেজ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান এ ধরনের অন্যায় কাজ করেছিল। তাদেরও জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছিল বলে জানান নিগার সুলতানা।

সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ১৫ দিন পাখিগুলোকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। এরপর সাফারি পার্কের মধ্যেই তাদের বসবাস উপযোগী পরিবেশে রাখা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন