বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই এলাকায় মাজেদা বেগম মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র, মোতালেব হোসেন উচ্চবিদ্যালয়, মোতালেব হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব চর টেপাখোলা উচ্চবিদ্যালয়, পূর্ব নাড়ারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থান। ওই এলাকায় পালডাঙ্গী, কাজের মাতুব্বরের ডাঙ্গী, ভূঁইয়া ডাঙ্গী, তাহের ফকিরের ডাঙ্গী, রহিমের ডাঙ্গী, হাজী ঈদুর ফকিরের ডাঙ্গীসহ বিভিন্ন গ্রামে চার হাজার মানুষের বসবাস। এ ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তারা দুর্ভোগে পড়বে।

ওই এলাকার বাসিন্দা আবদুল ওয়াহাব বলেন, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পালডাঙ্গী ও তাহের ফকিরের ডাঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়বে। ভাঙন থেকে আধা কিলোমিটার দূরে রয়েছে সরকারি আবাসন প্রকল্পে ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত ১২টি ঘর। সেখানকার পরিবারগুলো আতঙ্কে আছে।

ডিক্রিরচর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বলেন, ‘ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের দিক থেকে ইতিবাচক কোনো সাড়া পাইনি। তবে ভাঙনকবলিত জায়গায় নদীর যে গভীরতা তাতে পাউবো যে পদ্ধতিতে ভাঙন রোধ করে, তাতে সুফল পাওয়া মুশকিল।’

ফরিদপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম সাহা বলেন, পদ্মার পানি কমার কারণে ওই এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড মূল ভূখণ্ড রক্ষায় কাজ করে। ধলার মোড় থেকে শুরু করে মুন্সিগঞ্জের মধ্যে যে এলাকা রয়েছে, তা পদ্মা নদীর চরাঞ্চল।

পার্থ প্রতীম সাহা আরও বলেন, চর এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতামত নেওয়া হলে ভালো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন