বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি ও মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শামুক হচ্ছে প্রকৃতির ফিল্টার। বিলের তলদেশে বিচরণ করা এসব শামুক পানি পরিষ্কার করে থাকে। যথেচ্ছভাবে শামুক ও জলজ উদ্ভিদ নিধন হলে মাটির ক্যালসিয়াম কমে গিয়ে ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়ার শঙ্কা আছে।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার রুহাই, বিলশা, পিপলা, সিংড়া ও সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চলনবিল থেকে মই ও বাদাইজাল দিয়ে তোলা হচ্ছে শামুক। অনেকে নিয়ে যাচ্ছেন নিজ খামারে।

গুরুদাসপুরের খুবজিপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর ঘাটে কথা হয় বরিশাল থেকে আসা হাসেম মৃধার সঙ্গে। তিনি বলেন, ১০০ থেকে ১১০ টাকায় এক বস্তা শামুক কিনছেন। হাঁসের খাবার হিসেবে শামুক বেশ সাশ্রয়ী।

গুরুদাসপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলমগীর কবির বলেন, শামুক রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন