default-image

বিশেষ ব্যবস্থায় যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩০ জন যাত্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাঁরা দেশে প্রবেশ করেন। পরে তাঁদের বেনাপোলে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৬ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাধারণ মানুষের চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। তবে ১৫ দিনের ভিসার মেয়াদ নিয়ে চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কারণে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের নাগরিকেরা দিল্লি, কলকাতা ও আগরতলার বাংলাদেশ মিশনের অনুমতি দিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা কেবল বেনাপোল, আখাউড়া এবং বুড়িমারী বন্দর ব্যবহার করতে পারবেন। এসব নাগরিকের বাধ্যতামূলক প্রবেশের ৭২ ঘণ্টা সময়ে টেস্ট করা কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট লাগবে। বাংলাদেশে প্রবেশকারী নাগরিকদের দুই সপ্তাহ অফিশিয়াল কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় বিশেষ অনুমতির ভিত্তিতে ৩০ জন যাত্রী আজ দুপুর পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুয়ায়ী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রীদের চলাচলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ভারত থেকে ফেরার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের অনুমতি, কোভিড-১৯-এর নেগেটিভ সনদ ও ভিসার মেয়াদ ১৪ দিনের কম হতে হবে। তারপর তাঁদের নিজস্ব খরচে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এর জন্য বেনাপোলে দুটি আবাসিক হোটেল ঠিক করে রাখা হয়েছে।

এদিকে, ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশের নাগরিকেরা ফেসবুকে তাঁদের দুরবস্থার কথা জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার যশোরের মনিরামপুরের বাসিন্দা সানজিদা জেরিন বলেন, ‘এক ব্যক্তির চিকিৎসায় সাহায্য করতে কয়েক দিন আগে ভারতে এসেছি। বাংলাদেশে প্রবেশের আগের দিন সরকার হঠাৎ স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা করে। এদিকে হাতে কোনো টাকা-পয়সা নেই। নিজস্ব খরচে আবাসিক হোটেলে ১৪ দিন ভারতে অবস্থান করার মতো অবস্থা নেই। এখন আমরা প্রচণ্ড অসহায় হয়ে পড়েছি। কান্না করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন