বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া প্রথম দিনের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ছিল আরাধনা, নিরাময় অনুষ্ঠান ও নিশি জাগরণ। গতকাল অনুষ্ঠানে শেরপুর জেলা প্রশাসক মোমিনুর রশীদ, জেলা পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরী, নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হেলেনা পারভীন, পৌরসভার মেয়র আবু বক্কর সি‌দ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আজ সকালে জীবন্ত ক্রুশের পথ অতিক্রম ও মহা খ্রিষ্টযাগের মধ্য দিয়ে ২৪তম তীর্থোৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন ময়মনসিংহ খ্রিষ্টধর্ম প্রদেশের বিশপ পনেন পৌল কুবি সিএসসি। দুই দিনব্যাপী এ তীর্থোৎসবে ৩০ হাজারের বেশি দেশি-বিদেশি রোমান ক্যাথলিক খ্রিষ্টভক্ত অংশ নেন।

তীর্থোৎসবে আসা ক্যাথলিকভক্ত কারিশমা চাম্বুগং বলেন, এবারের তীর্থযাত্রায় বিশ্ব মানবতার কল্যাণে, বিশেষ করে বাংলাদেশের সব সমস্যার সমাধানের জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে। সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে দিন দিন তীর্থোৎসব একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

পোড়াগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তি বন্দনা চাম্বুগং বলেন, ‘মা মারিয়ার কাছে সাহায্য চাইতে এবং পরিবারের শান্তির জন্য সারা দেশ থেকে সব খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা এখানে আসেন। এ বছর আমরা মা মারিয়ার কাছে প্রার্থনা করেছি, সারা বিশ্ব যেন করোনামুক্ত হতে পারে।’

পর্তুগালের ফাতেমা নগরের আদলে ও অনুকরণে ১৯৯৮ সালে বারোমারীতে ফাতেমা রানীর তীর্থস্থানটি স্থাপিত হয়। সেই সময় থেকে ফাতেমা রানীর করুণা ও দয়া লাভের আশায় অক্টোবর মাসের শেষ বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে তীর্থযাত্রীরা এসে এই উৎসবে অংশ নেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন