default-image

হবিগঞ্জে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে করা মামলায় আবুল খায়ের আজাদ নামের এক আইনজীবীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-১–এর বিচারক সুদীপ্ত দাশ এ আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, হবিগঞ্জ শহরের হরিপুর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য আবুল খায়ের আজাদ ওরফে উজ্জ্বল। তাঁর গ্রামের বাড়ি নবীগঞ্জ উপজেলার হালিতলা গ্রামে। হবিগঞ্জ শহরে চার বছর আগে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে আবুল খায়ের আজাদের সঙ্গে পরিচয় হয় হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সম্মান চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রীর। এ পরিচয় থেকে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

মামলায় বলা হয়েছে, ওই আইনজীবী মেয়েটিকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালের ১৫ নভেম্বর শহরের একটি বাসায় নিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করেন। এভাবে বেশ কয়েকবার তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে আবুল খায়ের আজাদ মেয়েটিকে ফুসলিয়ে হবিগঞ্জ শহরে একটি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটান। এদিকে ওই মেয়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে আবুল খয়ের আজাদ তাঁকে এড়িয়ে যান।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় মেয়েটি গত ৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ আদালতে আবুল খায়ের আজাদকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা করেন। এ মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আবুল হাশেম মোল্লা জানান, সোমবার দুপুরে আবুল খায়ের হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-১–এ আত্মসমর্পণ করলে বিচারক সুদীপ্ত দাশ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মন্তব্য পড়ুন 0