বিয়ের আসর থেকে কারাগারে

বিজ্ঞাপন
default-image

বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুসারে বর ও কনে দুজনই অপ্রাপ্তবয়স্ক। তবে বরের বয়স ১৮ বছর পেরিয়ে যাওয়ায় বাল্যবিবাহ আয়োজনের দায়ে তাঁকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আঁচারগাঁও ইউনিয়নের একটি গ্রামে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বরকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং কনের বাবাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ভুয়া জন্মসনদে বয়স বাড়িয়ে দেখিয়ে বিয়ের আয়োজন করে তার পরিবার। বরের বাড়ি নান্দাইলের পাশের হোসেনপুর উপজেলায়।

ওই বাল্যবিবাহ আয়োজনের খবর পান নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদ উদ্দিন। তিনি বিয়ের আসরে গিয়ে বর ও কনের জন্মনিবন্ধনের সনদ দেখতে চান। কনের পরিবার একটি সনদ বের করে দেয়। সেই সনদের হিসাবে কনের বয়স দাঁড়ায় ১৯ বছর। সেটি ভুয়া সনদ হিসেবে প্রমাণিত হয়। অন্যদিকে বরের বয়স জানানো হয় ২০ বছর।

নান্দাইলের ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদ উদ্দিন জানান, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুসারের বরের বয়স কমপক্ষে ২১ বছর এবং কনের বয়স ১৮ বছর হতে হবে। এখানে বর ও কনে দুজনই অপ্রাপ্তবয়স্ক। আইন অমান্য করে বাল্যবিবাহ আয়োজনের অভিযোগে বরকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর কনের বাবাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন।

এরশাদ উদ্দিন আরও জানান, বরের বয়স ১৮ বছর পেরিয়ে যাওয়ায় তাঁকে কারাদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন