মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসায় আসা–যাওয়ার পথে প্রায়ই ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতেন সুবর্ণচরের মো. মামুন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং মামুন বিয়ের কথা বলে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ৭ জুলাই রাতে ছাত্রীকে কৌশলে বাড়ির পাশে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন মামুন। ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে মামুন পালিয়ে যান। বিষয়টি মামুনের পরিবারকে জানালে তারা দুজনের বিয়ে দেবে বলে কালক্ষেপণ করতে থাকে। উল্টো ওই ছাত্রীর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে।

অভিযুক্ত মামুন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় এ ঘটনার বিষয়ে তাঁদের কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবপ্রিয় দাশ মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। ওই ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ বুধবার নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন