বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, তরুণীকে বিয়ের কথা বলে পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করেছেন মাহবুবুর রহমান। গত মঙ্গলবার তরুণীকে গর্ভপাত করার জন্য চাপ দিতে থাকেন তিনি। তরুণী রাজি না হওয়ায় তাঁকে মারধর করেন এবং জোর করে ওষুধ খাইয়ে খামার থেকে দ্রুত চলে যান মাহবুবুর। এতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমানকে আসামি করে গতকাল বুধবার লামা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণ মামলা করা হয়েছে।

লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, চিকিৎসকদের দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই তরুণী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিয়ের কথা বলে মাহবুবুর রহমানের ধর্ষণের কারণে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। অভিযুক্ত মাহবুবুরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন