পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সেন্টু আলীর পরিবারে তাঁর স্ত্রী ও চার ছেলেমেয়ে আছেন। এদিকে, এলাকার আরেক নারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে গত মঙ্গলবার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় তাঁদের দুজনের বিয়ে ঠিক হয়। বুধবার রাতে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে সেন্টু আলী আর ফেরেননি। পরে আজ সকালে এলাকাবাসী পেয়ারা বাগানে তাঁর লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য তা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

গড়গড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, এক বিধবা নারীর সঙ্গে সেন্টুর সম্পর্ক ছিল। গত মঙ্গলবার রাতে সেন্টু আলীর সঙ্গে এ বিষয়ে তাঁর কথা হয়। তিনি স্বেচ্ছায় ওই নারীকে বিয়ে করতে রাজি হন। তিনিই বুধবার রাতে বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক করার কথা বলেন। বুধবার থেকে তাঁকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না।

ইউপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, যে জায়গায় লাশ পাওয়া গেছে, সেখানে আত্মহত্যা করার মতো আলামত তাঁর চোখে পড়েনি। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বুধবার নিখোঁজ হওয়ার পর সবাই মনে করেন, বিয়ে ঠিক হওয়ার কারণে তিনি লাপাত্তা হয়ে গেছেন। লাশের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটাকে হত্যাকাণ্ড ধরেই তাঁরা তদন্ত শুরু করেছেন। এ ব্যাপারে নিহতের মেয়ে থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন