বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচনে রমণী কান্ত ছাড়া আরও চারজন সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁরা হলেন টিউবওয়েল প্রতীকে রণজিৎ সরকার, তালা প্রতীকে আনোয়ার হোসেন, মোরগ প্রতীকে আবু ছায়েদ আলী ও ফুটবল প্রতীকে শফিউল আহমেদ।
লিখিত অভিযোগে রমণী কান্ত বলেন, ৬ নম্বর কেন্দ্রে ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৬৬০। গণনা বিবরণীতে ভোটারের শতভাগ উপস্থিতি ও ভোট গ্রহণ উল্লেখ করা হয়েছে, যা আদৌ সঠিক নয়। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অবৈধ আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে ভোটের প্রকৃত ফলাফল পরিবর্তন করেছেন, যা গুরুতর অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা। তাই ফলাফল স্থগিত করে আবার ভোট গণনার অনুরোধ জানান তিনি।

ওই ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, তাড়াহুড়োর কারণে একটু ভুল হয়েছে। পরে সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে সেটি সত্য নয়। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ভুল করে মোট জমা পড়া ভোটের সঙ্গে ৩৩টি নষ্ট ভোট ও প্রায় ২০০টি অনুপস্থিত ভোট যোগ করায় এ ঘটনা ঘটেছে। অফিসে আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি সংশোধন করে ফলাফল শিটে সই করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন