বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বীরগঞ্জের নিজপাড়া ইউনিয়নের প্রেমবাজার, বিলপাড়া, তেলিপাড়া ও কল্যাণীবাজার এলাকায় এবারই প্রথম শষে৴র আবাদ বেশি হয়েছে। গত শনিবার সকালে এসব এলাকা ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব এলাকা অপেক্ষাকৃত নিচু, মাটিতে রস ধারণ ক্ষমতা বেশি। ফলে স্বল্প ব্যয়ে বেশি লাভ পাচ্ছেন কৃষক।

নিজপাড়া এলাকার কৃষক বাংড়ু চন্দ্র রায় বলেন, কীটনাশকসহ শষে৴ চাষে খরচ প্রতি বিঘায় মাত্র সাড়ে ছয় হাজার টাকা। ফলনও ভালো হয়েছে। সব ঠিক থাকলে প্রতি বিঘায় আট মণ শষে৴ পাবেন। প্রতি মণ শষে৴য় দুই হাজার টাকা দাম পেলেও লাভ হবে প্রায় ১০ হাজার টাকা।

বীরগঞ্জ এলাকায় সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও স্থানীয় তিনজন মধুচাষি বসিয়েছেন মধুর দুই শতাধিক বাক্স। তাঁদের মধ্যে ‘মোসাদ্দেক মৌ খামার’–এর স্বত্বাধিকারী মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি ৮০টি বাক্স বসিয়েছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৩ দফায় প্রায় সাড়ে ৫০০ কেজি মধু সংগ্রহ করেছেন তিনি।

বিপরীত চিত্র সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়। মধুর খামারিরা বলছেন, ফলন বাড়াতে খেতে কীটনাশক প্রয়োগ করছেন কৃষকেরা। অসংখ্য মৌমাছির মৃত্যু হচ্ছে। ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন মধুচাষিরা।

‘সিরাজগঞ্জ মৌ চাষি সমিতি’ সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জের ৯ উপজেলায় শষে৴ চাষ হচ্ছে ৫৪ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে। চলতি বছর উল্লাপাড়া উপজেলায় ১৭০ মেট্রিক টন মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

উল্লাপাড়ায় আলীগ্রাম এলাকায় আশার আলো মধু খামারের চাষি আবদুর রশিদ বলেন, তিনি এবার মাঠে ৩৫০টি বাক্স বসিয়েছেন। তাঁর খামারে চারজন শ্রমিক কাজ করছেন। শীতের শুরুতে বৃষ্টির কারণে এবার মধু অনেকটা দেরিতে সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন