বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত ইসহাক ফকির ২০১১ সালের ২২ জুলাই মোচনা ইউনিয়ন পরিষদের পাশে নিজের পুকুরে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটছিলেন। পাশের জমি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় আসামিরা তাঁকে বাধা দেন। একপর্যায়ে আসামিদের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় তাঁরা ইসহাক ফকিরকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন। পরে ইসহাক ফকিরের স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার দিনই ইসহাক ফকিরের স্ত্রী জাহানারা বেগম রেণু বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মুকসুদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন উসমান মোল্লা, ইমারত মোল্লা ও শামসুদ্দিন মোল্লা। মুকসুদপুর থানার পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে ২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দাখিল করে। আসামিদের মধ্যে শামসুদ্দিন মোল্লা ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর মারা যান।

রায়ে লুৎফর রহমান ও তাঁর ছেলে আরিফকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হলেও নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস পেয়েছেন উসমান মোল্লা ও ইমারত মোল্লা। রায় ঘোষণার সময় আরিফ ছাড়া বাকি আসামিরা উপস্থিত ছিলেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন সরকারি সহকারী কৌঁসুলি (এপিপি) শহীদুজ্জামান খান, শামছুন্নাহার ও ফজলুল হক খান। রায়ে তাঁরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

রায়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবী আহম্মেদ নওশের আলী প্রথম আলোকে বলেন, এ রায়ে আইনের সঠিক প্রয়োগ হয়নি। এই রায়ে তাঁরা সংক্ষুব্ধ। আসামিরপক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন