বিজ্ঞাপন

পাটগ্রাম উপজেলা প্রশাসন ও বুড়িমারী অভিবাসন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রথম দফায় ২৬ এপ্রিল থেকে বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে পাসপোর্টের যাত্রী পারাপার ১৪ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে ৮ মে দ্বিতীয় দফায় আরও ১৪ দিন বন্ধের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এরপর ভারতে বাংলাদেশ দূতাবাসের অনুমতি নিয়ে ২৮ এপ্রিল প্রথমে ৬ ব্যক্তি দেশে ফেরেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার আরও ১৩ জন ফিরেছেন। তাঁদের নিয়ে এ পর্যন্ত ১৯৫ জন এই স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরলেন।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসার মেয়াদ ১৫ দিনের কম থাকা ব্যক্তিরা দেশে ফিরতে পারবেন। এ জন্য দূতাবাস বা হাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র নেওয়ার পাশাপাশি করোনা নেগেটিভ সনদ দেখাতে হচ্ছে। এভাবে ফেরত আসা ব্যক্তিদের ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন এ জন্য ৬টি হোটেল নির্ধারণ করে দিয়েছে। সেখানে সম্পূর্ণ নিজ খরচে থাকতে হচ্ছে ফেরত আসা লোকজনকে। বিষয়টির দেখভাল করছে উপজেলা প্রশাসন ও থানা-পুলিশ।

এদিকে ফেরত আসা লোকজনের অনেকেই চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন। কেউ কেউ গুরুতর অসুস্থ। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমতিক্রমে তাঁদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ পর্যন্ত গুরুতর অসুস্থ চারজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আরও ৩০ জনকে রোগের ধরন অনুযায়ী অন্যান্য বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁরাই সেসব হাসপাতালে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করে চিকিৎসা নেবেন।

বুড়িমারী স্থলবন্দর পুলিশ অভিবাসন কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, আজ ফেরত আসা ১৩ জনসহ ১৯৫ জনকে ৬টি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। প্রথম দিনে আসা ৬ জনের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন গতকাল মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। তাঁদের করোনা পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। ফল নেগেটিভ এলে তাঁরা ছাড়পত্র নিয়ে বাড়িতে ফিরতে পারবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন