বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজমিস্ত্রি আবদুল ওহাব পরিবার নিয়ে সাভারে থাকেন। ঈদের সময় গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর মুলঘরে আসেন। কঠোর বিধিনিষেধে সব বন্ধ থাকায় বাড়িতেই ছিলেন। তিনি বলেন, এখন তো আস্তে আস্তে সব খুলে যাচ্ছে। পেটের তাগিদে আর অপেক্ষা করতে না পেরে বৃষ্টিতে ভিজেই সাভার যেতে হচ্ছে।

ফরিদপুরের ধুলদি থেকে ভ্যান রিজার্ভ করে ঘাটে এসেছেন সুজন শেখ। তিনিও পেশায় মিস্ত্রি। বৃষ্টিতে ভিজে পরিবার নিয়ে ঘাটে নামার পর আশ্রয় নেন স্থানীয় একটি দোকানের ভেতর। এ সময় তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে বাড়িতে আসছি। এখন হাত খালি হয়ে গেছে। বাড়িতে বাপ-মা আছেন। বউ-ছেলেমেয়ে আছে। চলব কীভাবে? বসে থাকলে তো পেট চলবে না।’

default-image
যানবাহনের চাপ কম থাকায় রোস্টার করে ফেরি চলাচল করছে। দিনের বেলায় ছোট-বড় মিলে মোট নয়টি ফেরি চালানো হচ্ছে।
জামাল হোসেন, ব্যবস্থাপক, বিআইডব্লিউটিসি, দৌলতদিয়া

রাজবাড়ী থেকে ঢাকায় চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন আবদুর রাজ্জাক-শিল্পী আক্তার দম্পতি। মানুষের ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধি চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তাঁরা।

এদিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা ফেরিতে যানবাহনের সঙ্গে যাত্রীদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। ফেরিতে নদী পাড়ি দিয়ে আসা দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের মধ্যে অধিকাংশই ছিল শ্রমজীবী মানুষ।

ফেরিঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ দায়িত্ব পালন করছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা-পুলিশের দুটি দল। এর মধ্যে একটি দলের দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বিধিনিষেধ শিথিল না হওয়া পর্যন্ত সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক জামাল হোসেন বলেন, যানবাহনের চাপ কম থাকায় রোস্টার করে ফেরি চলাচল করছে। দিনের বেলায় ছোট-বড় মিলে মোট নয়টি ফেরি চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া রাতের বেলায় যানবাহনের চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন