বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেতছড়ি এলাকার মিতু আক্তার বলে, ‘আমার এক সহপাঠীর বিয়ে হয়ে গেছে। আমরা যখন নবম শ্রেণিতে পড়তাম, তখন সে দুই মাস বিদ্যালয়ে এসে আর আসেনি। পরে শুনেছি, তার বিয়ে হয়ে গেছে। বিয়ের পর তার একটি সন্তান হয়। বিয়ের দেড় বছরের মধ্যে স্বামীর নির্যাতনের কারণে তার ডিভোর্স হয়ে যায়। বর্তমানে সে তার সন্তানকে বাবার বাড়িতে রেখে চট্টগ্রামে কারখানায় চাকরি করছে। আমরা চাই না আমার সহপাঠীর মতো বাল্যবিবাহের শিকার হয়ে এমন পরিস্থিতিতে আর কেউ পড়ুক। আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাল্যবিবাহের প্রতিবাদ করব।’

বেতছড়ি এলাকার মাতবর আলমগীর হোসেন বলেন, এলাকায় যে বাল্যবিবাহগুলো হয়েছে, সেগুলো গোপনে বা এলাকার বাইরে গিয়ে হয়েছে। নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হলফনামা করে যে বিয়ে হয়, তা বন্ধ করতে পারলে ভালো হবে। তাঁরা এখন থেকে এলাকায় আর বাল্যবিবাহ হতে দেবেন না।

উপজেলা জাতীয় মহিলা কার্যালয়ের ‘তথ্য আপা’ স্বরূপিণী ত্রিপুরা বলেন, বেতছড়ি এলাকায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তাঁরা সচেতনতামূলক কিশোরী ও তাঁদের মায়েদের নিয়ে উঠান বৈঠকসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পের উপজেলা ব্যবস্থাপক শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, তাঁরা বাল্যবিবাহের হার কমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা মুস্তফা বলেন, বেতছড়ি এলাকায় তিনি গিয়ে স্থানীয় লোকদের বোঝাচ্ছেন। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনের সচেতনতা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন