পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রোজিনা আক্তারের সঙ্গে দুই বছর আগে মো. সেলিমের বিয়ে হয়। পাঁচ-ছয় মাস আগে জয়দেবপুর নেয়ামত সড়কে এসে রোজিনা পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। আর সেলিম অটোরিকশা চালানোর কাজ করেন, কিন্তু রোজিনার সঙ্গে থাকতেন না। রোজিনার বেতন পাওয়ার খবরে গত বুধবার সেলিম বাসায় এসে টাকা চান। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রী মধ্যে ঝগড়া হয়। এর জেরে ওই দিন রাতে সেলিম ঘরে ঢুকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে রোজিনাকে হত্যা করে পালিয়ে যান। গতকাল রোজিনার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার জাকির হাসান বলেন, শ্বাসরোধে গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে, এমনটা প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। গৃহবধূর গলায় গামছা প্যাঁচানো ও মুখের ওপরে বালিশ চাপা দেওয়া ছিল। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহত রোজিনার ভাই মো. মাসুদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। নিহত রোজিনার ভাতিজা সোহেল মিয়া বলেন, গত ঈদের পর থেকে সেলিমকে পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁর ফুফু বেতন পাওয়ার খবর পেয়ে সেলিম তাঁর কাছ থেকে টাকা নিতে আসেন। টাকা না দেওয়ায় তাঁকে হত্যা করে পালিয়ে যান।

র‌্যাব-১–এর গাজীপুরের কোম্পানি কামান্ডার মেজর এ এস এম মাঈদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঢাকার সিপাহিবাগ এলাকা থেকে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে পলাতক মো. সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।