গত শুক্রবার বেনাপোল দিয়ে কলকাতায় যান যশোরের সাংবাদিক প্রণব দাস। তিনি বলেন, ‘ঈদের ছুটি কাটাতে কলকাতায় এসেছি। সাত দিনের ছুটি শেষে ১৫ জুলাই কর্মস্থলে ফিরব।

বন্দরে ভোগান্তির বিষয়ে প্রণব দাস বলেন, ‘১৯৮৫ সাল থেকে আমি বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে যাতায়াত করি। কিন্তু এবাবের মতো এমন ভোগান্তির শিকার আগে কখনো হতে হয়নি। বেনাপোল ইমিগ্রেশন পার হতে পাঁচ ঘণ্টা সময় লেগেছে। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। ইমিগ্রেশনে মাত্র চারটি বুথে ইমিগ্রেশন কর্মী ছিলেন। অন্য বুথগুলো ফাঁকাই ছিল। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামাল দেওয়ার জন্য ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের বাড়তি কোনো প্রস্তুতি নেই। ফলে মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়।

তবে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে গমনে রেকর্ডসংখ্যক যাত্রীর চাপ বেড়েছে; যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। ঈদের ছুটি কাটাতে বেশির ভাগ মানুষ পর্যটন ভিসায় বেড়াতে ও কেনাকাটা করতে যাচ্ছেন। করোনা পরিস্থিতির পরে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ তিন হাজার মানুষ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করেছেন। কিন্তু এবারের ঈদের আগে–পরে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ হাজার মানুষ যাতায়াত করছে। এর মধ্য ৮ জুলাই ভারত গমনে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এক দিনেই প্রায় সাত হাজার মানুষ দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করেছেন। এর মধ্যে সাড়ে চার হাজার মানুষ ভারতে ঈদ করতে গেছেন।’

যাত্রীর এই চাপ সামাল দেওয়ার জন্য আপনাদের বাড়তি কোনো প্রস্তুতি আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাড়তি চাপ সামাল দেওয়ার তেমন কোনো প্রস্তুতি নেই। তবে কাগজপত্র ইমিগ্রেশন করার জন্য ১৪টি বুথই চালু রয়েছে। কর্মীদের যাঁরা ছুটিতে ছিলেন, ছুটি শেষ হওয়ার আগেই তাঁরা কাজে যোগ দিয়েছেন। আগামী কয়েক দিন এমন চাপ থাকবে বলে ধারণা করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন