বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিলেটের ১৩ উপজেলার বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কের পাশে নির্মিত সাতটি যাত্রীছাউনি ঘুরে এ রকম চিত্র দেখা যায়। এসব যাত্রীছাউনি জেলা পরিষদ নির্মাণ করেছে। জেলা পরিষদের অধীনে কতগুলো যাত্রীছাউনি আছে, এমন তথ্য তাদের কাছে নেই। ছাউনিগুলোর কী অবস্থা, তা নিয়ে তদারকও নেই। এর মধ্যেও পরিষদ নতুন যাত্রীছাউনি নির্মাণ করে চলছে। তবে জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা বলেন, পরিষদের অধীনে নির্মিত যাত্রীছাউনিগুলোর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়কের কোম্পানীগঞ্জের থানাবাজার মোড়ে স্থাপিত ছাউনির মেঝের মাটি সরে গেছে। ছাউনির ভেতরে জন্মেছে ঘাস। সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়কের মেওয়া এলাকায় স্থাপিত যাত্রীছাউনির পেছনের অংশ ডোবার মধ্যে দেবে গেছে। একই সড়কের কুরারবাজার আঙ্গারজুর ব্রিজের সামনে থাকা ছাউনিটিতে আবর্জনা ফেলে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা শিপার আহমদ।

ফেঞ্চুগঞ্জের ফেরিঘাট এলাকার যাত্রীছাউনিটি ব্যবহার করছেন যাত্রীরা। তবে যাত্রীছাউনির পাশে দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ইব্রাহিম মিয়া বলেন, যাত্রীছাউনির সামনেই সিগারেট-পানের দোকান থাকায় পুরুষ যাত্রীরা সেখানে যান। তবে নারীরা যান না।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে জেলা পরিষদের আওতায় আরও পাঁচটি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব যাত্রীছাউনির নির্মাণ ব্যয় পাঁচ লাখ টাকা।

সূত্রটি আরও জানায়, যাত্রীছাউনি নির্মাণের জন্য জনপ্রতিনিধিদের পরিষদের মাধ্যমে অনুমতি নিতে হয়। জনপ্রতিনিধিরা প্রথমে স্থানীয় ব্যক্তিদের আবেদনের ভিত্তিতে যাত্রীছাউনি নির্মাণের ব্যাপারে পরিষদে আলোচনা করেন। পরে পরিষদের সদস্যদের সম্মতির ভিত্তিতে যাত্রীছাউনি নির্মাণের ব্যাপারে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত যাত্রীছাউনি নির্মাণে পাঁচ লাখ টাকার বেশি বাজেট ধরা হয় না।

জেলা পরিষদের উপসহকারী প্রকৌশলী হাসিব আহমেদ বলেন, জেলা পরিষদের অধীনে নির্মিত যাত্রীছাউনিগুলোর তালিকা তৈরির কাজ চলছে। গত সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে তাঁরা এ কাজ শুরু করেছেন।

জেলা পরিষদের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী আবদুল কাদের মুজাহিদ বলেন, তালিকা প্রস্তুত হয়ে গেলে যাত্রীছাউনিগুলো মেরামত ও সংস্কারের জন্য প্রকল্প নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন