বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শনিবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, খুলিয়াগাড়ী-কৈগাড়ী গ্রামের মধ্যে চলাচলের কাঁচা রাস্তায় খুলিয়া গ্রামের অংশে বাঁশের বেড়া দেওয়া আছে। বেড়ার উত্তর পাশে খুলিয়া গ্রামের কয়েকজন নারী-পুরুষ বসে রাস্তা পাহারা দিচ্ছিলেন।

পরাজিত প্রার্থী রাজ্জাকুল হায়দার বলেন, তাঁদের ভোটকেন্দ্র করমজি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছিল। আক্কেলপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রানা চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না চৌধুরী সাংবাদিক সেজে ভোটকেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছিলেন। ভোট গণনা শেষে প্রথমে তাঁকে ছয় ভোটে বিজয়ী করা হয়। এরপর রানা চৌধুরী ও স্বপ্না চৌধুরী ভেতরে আসার পর তৃতীয়বারের মতো ভোট গণনা করে তাঁকে ৪২ ভোটে পরাজিত দেখানো হয়। গ্রামের লোকজন প্রহসনের ফল মেনে নেননি। এ কারণে গ্রামের লোকজনের চলাচলের রাস্তায় বেড়া দিয়েছেন। এখানে তাঁর করার কিছুই নেই।

খুলিয়াগাড়ী গ্রামের আবদুর রহমান, ফজলুল হক ও নাদিরা বেগম বলেন, ইউপি সদস্য প্রার্থী রাজ্জাকুল হায়দারকে পরিকল্পিতভাবে ফেল করানো হয়েছে। এ কারণে গ্রামের লোকজন রাস্তায় বেড়া দিয়েছেন। রানা চৌধুরী ও স্বপ্না চৌধুরী গ্রামে আসার পর রাস্তা থেকে বেড়া খুলে দেওয়া হবে।

নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিজয়ী হওয়ার পর খুলিয়াগাড়ী গ্রামের লোকজন রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়েছেন। এতে লোকজন চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।’

রানা চৌধুরী ও স্বপ্না চৌধুরী বলেন, তাঁরা সাংবাদিক হিসেবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন। করমজি ভোটকেন্দ্রও গিয়েছিলেন। সেখানে নিয়ম মেনে ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। রাজ্জাকুল হায়দার ও তাঁর কর্মী-সমর্থকদের আনা অভিযোগ সঠিক নয়।

আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম হাবিবুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাঁশের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে এরকম কোনো অভিযোগ পাননি। তবে সেখানে পুলিশ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন