বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে গত মার্চে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৯৫ জন। এর মধ্যে ২২৭ জন শিশু। আর জানুয়ারিতে চিকিৎসা নেন মোট ৩৯০ জন।

গতকাল সদর উপজেলার সন্নাসীপাড়া এলাকা থেকে আসা খাদিজা আক্তার বলেন, তাঁর এক বছর বয়সী ছেলে মুস্তাকিন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। গত মঙ্গলবার সকালে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। গতকাল দুপুর পর্যন্ত স্যালাইন চলছে। শিশুটির অবস্থা এখন কিছুটা ভালোর দিকে।

সদর উপজেলার জগদল-চৈতন্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফরিদা আক্তার (৪০) বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকেই তাঁর বমি ও পাতলা পায়খানা শুরু হয়। এক পর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) কাওসার আহমেদ বলেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে এসব ডায়রিয়া হতে পারে। ঠান্ডা চলে গিয়ে গরম আসার সময়টাতে ডায়রিয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে ডায়রিয়া আক্রান্তদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা কিছুটা বেশি। খাবার তৈরি ও খাবার খাওয়ানোর আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। বাইরের বা পচা–বাসি খাবার খাওয়া যাবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন